ইসরাইলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বৃহত্তর সংঘাত ঠেকাতে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। স্থানীয় সময় বুধবার ব্রাসেলসে ইউভুক্ত ২৭ দেশের নেতাদের প্রথম বৈঠকে এমন আরো দেখুন..
আন্তর্জাতিক চাপ সত্ত্বেও ইরানের হামলার জবাব দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েল। সোমবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সংবাদ মাধ্যমটি বলছে, সপ্তাহান্তে ইসরায়েলে ইরানের
ইসরায়েলের মূল ভূখণ্ডে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় সৌদি, তুরস্ক, মিশর ও জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। মার্কিন শীর্ষ কূটনীতিক জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন এই অঞ্চলে কোনো ধরনের সংঘাত
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে ‘খাদের কিনার’ হিসেবে অভিহিত করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। বলেছেন, এই অঞ্চলের মানুষ একটি পূর্ণমাত্রার ধ্বংসাত্মক সংঘাতের মুখোমুখি। তারা যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। এখনই সময় তাদের খাদের কিনার থেকে
গাজায় ইসরাইলি যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী ইসলামপন্থি দল হামাস। শনিবার এক বিবৃতিতে দলটি জানিয়েছে, হামাস তার দাবিতে অটল রয়েছে। হামাস জানিয়েছে, গাজায় ইসরাইলি আক্রমণ বন্ধ ও সমগ্র উপত্যকা
ইরানের ছোড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের ৯৯ শতাংশই প্রতিরোধ করেছে ইসরাইল। যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলকে সহায়তা করছে। ইসরাইলের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রিয়ার এডমিরাল দানিয়েল হাজারি এক টেলিভিশন ভাষণে এ কথা বলেন। ইরান থেকে ৩০০
পাকিস্তানের বেলুচিস্তানের নুশকি জেলায় দুটি পৃথক সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় অজ্ঞাত হামলাকারীদের গুলিতে অন্তত ১১ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। নিহতদের মধ্যে নয়জন পাঞ্জাবের বাসিন্দা, তারা কোয়েটা থেকে তাফতানে জাতীয় সড়কে
স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল ইউরোপের দুই দেশ স্পেন ও আয়ারল্যান্ড। দেশ দুটি আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে জোট বাঁধার ঘোষণাও দিয়েছে। এছাড়া ইউরোপের দেশ